Skip to main content

চর্যাপদ সম্পর্কিত তথ্য

 

বাংলা সাহিত্যে প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ

 ২। ১৮৮২ সালে Sanskrit Buddhist Literature in Nepal গ্রন্থে রাজেন্দ্র লাল মিত্র প্রথম বৌদ্ধতান্ত্রিক সাহিত্যের কথা উল্লেখ করেন

 ৩। সহজযানী (সহজিয়া) সম্প্রদায়ের সাধন সঙ্গীত এবং সে সময়কার ধর্ম, সমাজ জীবনের পরিচয় হলো চর্যাপদ

 ৪। চর্যাপদের মূলনাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়

 ৫। এটি বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন সঙ্গীতও বটে। আবার এটিকে কবিতা হিসেবেও ধরা হয়

 ৬। এতে রাগরাগিনীর উল্লেখ আছে

 ৭। এটি পাল আমলে লেখা শুরু হয়।

৮। চর্যাপদের আবিষ্কাকরক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

৯। ১৯০৭ (বাংলা ১৩১৪) সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ গ্রন্থশালা থেকে এটি আবিষ্কার করেন।

১০। চর্যাপদের সাথে আরো তিনটি পুথি তিনি নিয়ে আসেন। () সরহপাদ () কৃষ্ণপাদের দোহা () ডাকার্নব

১১। চর্যাপদ ১৯১৬ সালে ‌'হাজার বছরের পুরানো বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।

১২। এটি সম্পাদনা করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

১৩। প্রকাশক বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ।

১৪। পুঁথিতে চর্যাপদের নাম ছিল চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।

১৫। চর্যাপদের টীকাকার হলেন মুণিদত্ত

১৬। মুনি দত্ত ১১ সংখ্যক পদের কোনো করেন নি।

১৭। এতে পদ ছিল ৫১টি।

১৮। পদ নষ্ট হয়ে গেছে ২৪,২৫, ৪৮ সংখ্যক পদ।

১৯। ২৩ নং পদের শেষ অংশ পাওয়া যায় নি।

২০। মোট অক্ষত পদ পাওয়া যায় সাড়ে ৪৬টি।

২১। চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদের মাধ্যমে এর সমস্ত পদই পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।

২২। চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ আবিষ্কারকের নাম . প্রবোধচন্দ্র বাগচী

 ২৩। পাল রাজাদের পৃষ্টপোষকতায় চর্যাপদ লেখা হয়। কারণ পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।

২৪। চর্যাপদ মাত্রবৃত্ত ছন্দে রচিত

 ২৫। চর্যাপদের আদি কবি লুই পা (এর প্রথম পদের রচয়িতা বলেই আদি কবি বলা হয়)

২৬। চর্যাপদের মোট কবির সংখ্যা ২৩ জন।

২৭। সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নু পা।

২৮। কাহ্নুপা ১৩ টি পদ রচনা করেন।

২৯। পদ রচনায় দ্বিতীয় ভুসুকুপা। তিনি ৮টি পদ রচনা করেন।

৩০। চর্যাপদের খণ্ডিত পদ ২৩ নং এর রচয়িতা ভুসুকু পা।

৩১ ভুসুকু পা নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন।

৩২। তন্দ্রীপা নামক কবির পদ পাওয়া যায় নি।

৩৩। চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ কবি শবরপা।

৩৪। চর্যাপদের নারী কবি কুক্করীপা।

৩৫। . মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের আদি কবি শবরপা।

৩৬। চর্যাপদের ইংরেজি অনুবাদকের নাম হাসনা জসীমউদ্*দীন মওদুদ।

৩৭। চর্যাপদের ইংরেজিতে অনূদীত গ্রন্থের নাম Mystic Poetry of Bangladesh.

৩৮। চর্যাপদের ভাষা বাংলা এটি প্রমাণ করেন- . সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

 

 

 

 

Comments